ভোটারশূন্য কেন্দ্র ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচন
আন্দোলন প্রতিবেদন
সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ফ্যাসিবাদী ক্ষমতা নবায়নের জন্য সংসদ নির্বাচনকে বহির্বিশ্বের কাছে 'ভোটার উপস্থিতি', 'প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ' ও 'অংশগ্রহণমূলক' দেখাতে ফ্যাসিবাদী হাসিনা-আওয়ামী সরকার নগ্নভাবে রাষ্ট্রযন্ত্রের ব্যবহার, ডামি-স্বতন্ত্র প্রার্থী দাঁড় করানো এবং কিংস পার্টি গঠনসহ বিরোধী দল ও ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চেয়েছে। প্রতিশ্রুত নির্বাচনী তহবিল (ঘুষ) না পাওয়ায় এবং নির্বাচনে না জেতার আশঙ্কায় আগেই জামানত রক্ষায় জাপাসহ কিংস পার্টির অনেকেই মনোনয়নপত্র প্রাত্যাহার করেছিল। আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে জাপার প্রার্থীদের ২৮ জন নির্বাচন বর্জন করেছে।
ভোটারদের আওয়ামী সভায়, ভোট কেন্দ্রে যাওয়া এবং নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেয়ার জন্য ভয়-ভীতি দেখানো, গরীব ভোটারদের সরকারি সহায়তা কার্ড জমা নেয়াসহ বহুভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। ভোটার উপস্থিত করতে আড়াই লক্ষ আওয়ামী কেডারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ৭ জানুয়ারি ভোটের দিন ভোট কেন্দ্র দখল করে অন্য প্রার্থীদের এজেন্টদের ঢুকতে দেয়নি। ভোটার উপস্থিতি দেখাতে জালভোটার, শিশু ভোটার, ডামি লাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে, এমনকি ব্যালটে প্রকাশ্যে সিল মারার ঘটনাও ঘটেছে। ভোটের দিন বেলা তিনটা পর্যন্ত সিইসি বলেছে ২৬.৩৭% ভোট পড়েছে, কিন্তু বিকাল ৪টায় ঘোষণা করেছে ৪১.৮% ভোট পড়েছে। জালিয়াতি কাকে বলে।
তা সত্ত্বেও ২৪১ আসনে কার্যত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি। খাগড়াছড়িতে ১৯৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৭টি কেন্দ্র ছিল ভোটার শূন্য। স্বায়ত্বশাসনের অধিকারের জন্য সংগ্রামরত ইউপিডিএফ এর সহযোগী সংগঠন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের নেতা বিপুল চাকমাসহ চার জন তরুণকে সেনাবাহিনীর মদদে চক্রান্তমূলকভাবে হত্যার প্রতিবাাদে ইউপিডিএফ নির্বাচন বর্জন করেছে। এ ছাড়াও দেশের বহু কেন্দ্র ভোটার শূন্য ছিলো।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) কর্তৃক ৫০টি আসনের ওপর চালানো এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে.... ৫৫ দশমিক ১ শতাংশ কেন্দ্রে ভোটারদেরকে জোর করে নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দিতে বাধ্য করা হয়েছে।
এসব কারণে বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে আন্তর্জাতিক নির্বাচনি মানদণ্ডেও এই নির্বাচন হয়েছে কি না, সে বিষয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। কিন্তু ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার এই বিবৃতি-প্রতিবেদনকে পাত্তা দিচ্ছে না। বরং লাজ-লজ্জার মাথা খেয়ে প্রতিবাদ করছে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ভোটারশূন্য কেন্দ্র ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচন
ফ্যাসিবাদী ক্ষমতা নবায়নের জন্য সংসদ নির্বাচনকে বহির্বিশ্বের কাছে 'ভোটার উপস্থিতি', 'প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ' ও 'অংশগ্রহণমূলক' দেখাতে ফ্যাসিবাদী হাসিনা-আওয়ামী সরকার নগ্নভাবে রাষ্ট্রযন্ত্রের ব্যবহার, ডামি-স্বতন্ত্র প্রার্থী দাঁড় করানো এবং কিংস পার্টি গঠনসহ বিরোধী দল ও ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চেয়েছে। প্রতিশ্রুত নির্বাচনী তহবিল (ঘুষ) না পাওয়ায় এবং নির্বাচনে না জেতার আশঙ্কায় আগেই জামানত রক্ষায় জাপাসহ কিংস পার্টির অনেকেই মনোনয়নপত্র প্রাত্যাহার করেছিল। আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে জাপার প্রার্থীদের ২৮ জন নির্বাচন বর্জন করেছে।
ভোটারদের আওয়ামী সভায়, ভোট কেন্দ্রে যাওয়া এবং নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেয়ার জন্য ভয়-ভীতি দেখানো, গরীব ভোটারদের সরকারি সহায়তা কার্ড জমা নেয়াসহ বহুভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। ভোটার উপস্থিত করতে আড়াই লক্ষ আওয়ামী কেডারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ৭ জানুয়ারি ভোটের দিন ভোট কেন্দ্র দখল করে অন্য প্রার্থীদের এজেন্টদের ঢুকতে দেয়নি। ভোটার উপস্থিতি দেখাতে জালভোটার, শিশু ভোটার, ডামি লাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে, এমনকি ব্যালটে প্রকাশ্যে সিল মারার ঘটনাও ঘটেছে। ভোটের দিন বেলা তিনটা পর্যন্ত সিইসি বলেছে ২৬.৩৭% ভোট পড়েছে, কিন্তু বিকাল ৪টায় ঘোষণা করেছে ৪১.৮% ভোট পড়েছে। জালিয়াতি কাকে বলে।
তা সত্ত্বেও ২৪১ আসনে কার্যত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি। খাগড়াছড়িতে ১৯৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৭টি কেন্দ্র ছিল ভোটার শূন্য। স্বায়ত্বশাসনের অধিকারের জন্য সংগ্রামরত ইউপিডিএফ এর সহযোগী সংগঠন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের নেতা বিপুল চাকমাসহ চার জন তরুণকে সেনাবাহিনীর মদদে চক্রান্তমূলকভাবে হত্যার প্রতিবাাদে ইউপিডিএফ নির্বাচন বর্জন করেছে। এ ছাড়াও দেশের বহু কেন্দ্র ভোটার শূন্য ছিলো।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) কর্তৃক ৫০টি আসনের ওপর চালানো এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে.... ৫৫ দশমিক ১ শতাংশ কেন্দ্রে ভোটারদেরকে জোর করে নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দিতে বাধ্য করা হয়েছে।
এসব কারণে বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে আন্তর্জাতিক নির্বাচনি মানদণ্ডেও এই নির্বাচন হয়েছে কি না, সে বিষয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। কিন্তু ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার এই বিবৃতি-প্রতিবেদনকে পাত্তা দিচ্ছে না। বরং লাজ-লজ্জার মাথা খেয়ে প্রতিবাদ করছে।
আরও খবর
- শনি
- রোব
- সোম
- মঙ্গল
- বুধ
- বৃহ
- শুক্র